সেনাবাহিনীর এভিয়েশন কোরে দুই নারী পাইলট – বাংলাদেশের তরুণীদের অনুপ্রেরণা

nazia-shahrina--female-pilots-army
ভাল লাগলে শেয়ার করুন সবার সাথে

 

বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০১৫ সাল থেকেই জায়গা করে নিয়েছে যে দুইটি নারীর নাম তারা হলেন ক্যাপ্টেন নাজিয়া নুসরাত হোসেন এবং ক্যাপ্টেন শাহরিনা বিনতে আনোয়ার ।

 

 প্রথমবারের মতো আর্মি এভিয়েশনে যুক্ত হতে কঠোর পরীক্ষা পার করে ২০১৪ সালের ১৬ নভেম্বর প্রশিক্ষণ শুরু করেন ক্যাপ্টেন নাজিয়া নুসরাত হোসেন এবং ক্যাপ্টেন শাহরিনা বিনতে আনোয়ার।

 
ক্যাপ্টেন নাজিয়া নুসরাত এর স্বামি মেজর স্বামী মেজর মাহমুদ এবং শাহরিনা বিনতে আনোয়ার এর স্বামি বিমান বাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট খালিদ তাদের এই যাত্রায় সার্বিক ভাবে উৎসাহ এবং সহযোগিতা করে গেছেন । এই দুই কাপল রা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর এক যুগান্তকারী অধ্যায় হয়ে থাকবে


For the first time ever in the history of Bangladesh Army, two female probationer pilots successfully managed their single and dual flight in the army aviation group in the capital Dhaka .ক্যাপ্টেন নাজিয়া নুসরাত হোসেন ও

ক্যাপ্টেন শাহরিনা বিনতে আনোয়ার ২০০৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর ৬১তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদী কোর্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ করেন। কোরের সকল আবশ্যিক কোর্স শেষ করে ২০১৪ সালের ১৬ নভেম্বর আর্মি এভিয়েশন বেসিক কোর্স-৯ এ যোগদান করেন তিনি। এরপর চলতি বছরের ১৮ জুন তার উড্ডয়ন দক্ষতা প্রমাণ করতে প্রথমবারের মতো একক উড্ডয়ন সম্পন্ন করেন নাজিয়া।৩০ জুন প্রথম একক উড্ডয়ন সম্পন্ন করেন ক্যাপ্টেন শাহরিনা বিনতে আনোয়ার


অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ক্যাপ্টেন নাজিয়া নুসরাত হোসেন বলেন, ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল আকাশে উড়বো। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ফ্লাইং শুরু হয়। এটা আসলেই চ্যালেঞ্জিং ছিল। এতো ভালো লাগছে যে প্রকাশের ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। মা-বাবা এবং স্বামী মেজর মাহমুদ সবসময় উত্সাহ যুগিয়েছেন। প্রশিক্ষকরা সহায়তা করেছেন। 
 

অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ক্যাপ্টেন শাহরিনা বিনতে আনোয়ার বলেন, পাখির মতো আকাশে উড়েছি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন নারী। তিনি কঠোর পরিশ্রম করে দেশ চালান। নারীদের আর ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। মা-বাবা এবং স্বামী বিমান বাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট খালিদ সবসময় উত্সাহ দিয়েছেন। উত্সাহ দিয়েছেন সহকর্মীরাও।
দুই পাইলটের অভিমত, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারী পাইলট সংযোজন একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। এই উড্ডয়ন বাংলাদেশের নারীদের অনুপ্রেরণার উত্স হয়ে থাকবে বলে তারা মনে করেন

ভাল লাগলে শেয়ার করুন সবার সাথে

Related posts

Leave a Reply